Category:ঘুরে আসি, চলার পথে, পরিবেশ প্রাকৃতি, বাংলাদেশ

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ by

বাংলার লাল স্বর্গ

বিশেষ প্রতিনিধি শাপলা গ্রাম সাতলা যেন এক শাপলার রাজ্য।বিলের পানিতে ফুটে থাকা হাজারো লাল শাপলা যেন সূর্য্যের লাল আভাকেও হার বিস্তারিত

জুলাই ২১, ২০২০ by

কয়দিন এমন বৃষ্টি হবে জানালো আবহাওয়া অফিস

সারাদিন ডেস্ক : রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে এ বিস্তারিত

জুলাই ১৯, ২০২০ by

পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকারে আমাদের করনীয়।

রবিউল ইসলামঃভূমিকা:- আকাশ, বাতাস, জল, উদ্ভিদজগত, প্রাণীজগত সবকিছু নিয়ে আমাদের পরিবেশ । এগুলির কোনোটিকে বাদ দিয়ে আমরা বাঁচতে পারি না বিস্তারিত

জুলাই ১৮, ২০২০ by

ঢাকার আকাশে বিরল ধূমকেতু নিওওয়াজ

বিশেষ প্রতিনিধিঃঢাকার আকাশে দেখা যাচ্ছে বিরল ধূমকেতু নিওওয়াজ। ধূমকেতুটি বর্তমানে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে বহিঃসৌরজগতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। খালি চোখে এটি বিস্তারিত

জুলাই ১৫, ২০২০ by

বিকল্প জ্বালানি নষ্ট করে দিচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য

সাভার থেকে এন এম শাহীনঃঢাকার সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের ভাকুর্তা, মোগড়াকান্দা ও মধুমতিতে টায়ার পুড়িয়ে ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি তৈরীর একাধিক বিষাক্ত বিস্তারিত

জুলাই ১৫, ২০২০ by

ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি তৈরীর কারখানা: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভাকুর্তাবাসী সাভার থেকে এন এম শাহীনঃ ঢাকার সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের ভাকুর্তা, মোগড়াকান্দা ও মধুমতিতে টায়ার পুড়িয়ে ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি তৈরীরএকাধিক বিষাক্ত কারখানা প্রশাসনকে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েই তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে কারখানা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের জীবন দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ বেসরকারী টিভি চ্যানেল ইন্ডিপেন্ডেন্টে এসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হবার পরেও কারখানাগুলো বন্ধ করার কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি সাভার উপজেলা প্রশাসন কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তর এর সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে। সরেজমিন দেখা যায়, সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের ভাকুর্তা বাজারের পাশে, মোগড়াকান্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সড়ক সংলগ্ন ও বিলমালিয়া মধুমতি মডেল টাউনে ‘পাইরোলাইসিস রিসাইক্লিং অয়েল ম্যানুফ্যাকচারিং’ পরিত্যক্ত গাড়ীর টায়ার পোড়ার একাধিক বিষাক্ত অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছে। ফলে মোগড়াকান্দা ও ভাকুর্তা এলাকাগুলোতে প্রতিনিয়ত হচ্ছে বায়ুদূষণ। ভাকুর্তার মোট ৫ টি এলাকা এবং মোগড়াকান্দায় ১টি সহ এমন ৬টি কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে হিন্দু ভাকুর্তা এবং মোগড়াকান্দা এই দুই স্থানে টায়ার পোড়ানো হয়। এদের ভিতর সোলাইমান নামের এক কারখানা মালিক বেশ প্রভাবশালী। মূলত তার নেতৃত্বেই অন্য কারখানাগুলোও চলছে বলে জানান স্থানীয়রা। এসব কারখানাগুলোতে গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার পুড়িয়ে ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি তেল তৈরি করা হয়। অবৈধভাবে এসব টায়ার পোড়ানোর ফলে কারখানা থেকে নিঃসৃত বিষাক্ত কালো ধূয়া ভাকুর্তা ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকাগুলো সহ সাভার ও কেরাণীগঞ্জেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এই ধূয়ায় রয়েছে কার্বন মনো-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ও মিথেন সহ ১৬ ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক গ্যাস। তারমধ্যে মিথেন ৩৩.২ শতাংশ, হাইড্রোজেন ১৫.৬ শতাংশ, নাইট্রোজেন ১২.২ শতাংশ ও কার্বন মনোক্সাইড ৪ শতাংশ। যা বাতাসের সঙ্গে মিশে ফুসফুসে প্রবেশ করে ক্যান্সার সহ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত নানা জটিল ও কঠিন রোগ সৃষ্টি করে থাকে। এই বিষাক্ত ধূয়ার প্রভাবে মানুষের কিডনি ড্যামেজ, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা, সেক্স ড্যামেজ, হাড়ের ব্যাথা, চর্মরোগ, জ্বর, ঠাণ্ড -কাশি সহ নানান রোগের সৃষ্টি হয়। এছাড়া দিন ও রাতের বেলা এই বিষাক্ত কালো ধূয়ার কারখানাগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু থাকার কারণে নিঃসৃত ধূয়ায় গর্ভবতী মায়েদের ও শিশুদের দেহের ভেতর প্রবেশ করে টনসিল রোগ সহ আরও নানা রোগের সৃষ্টি করছে। মোগড়াকান্দা ও ভাকুর্তা এলাকার এই কারখানাগুলো দীর্ঘ ৮-১০ বছর ধরে নিয়মিত চালু থাকার কারণে এই এলাকাগুলোতে অকাল মৃত্যুর হার বেড়েছে বলে ধারণা এলাকাবাসীর। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয়রা জানান, যেহেতু সারাবিশ্বে মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রধান লক্ষণ শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের রোগ, জ্বর, হাঁচি ও কাশি- এসব ভাইরাসজনিত রোগই বায়ু দূষণের কারণে হয়ে থাকে। তারা আরও জানান, পরিত্যক্ত গাড়ির টায়ার পোড়ার এসব কারখানাগুলো থেকে বিষাক্ত কালো ধূয়া বের হয়ে বায়ুদূষণের ফলে যে রোগগুলো হয়ে থাকে, করোনাভাইরাসের লক্ষণ এর সাথে সেগুলোর অনেকাংশই মিল আছে। মোগড়াকান্দা ও ভাকুর্তা ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ বর্তমানে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে তারা পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সাভার উপজেলা প্রশাসনের নিকট এই স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে তাদেরকে রক্ষার আবেদন জানান। উল্লেখ্য, এর আগেও বহুবার অবৈধ এসব কারখানা অপসারণ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও কারখানাগুলো এখনোও বন্ধ করেনি কারখানার মালিকরা। এব্যাপারে এলাকাবাসী জানান, কারখানার মালিকেরা শক্তিশালী হওয়াতে এলাকার সাধারণ জনগণ মুখ খুলতে সাহস পায়না। পক্ষান্তরে, কারখানার মালিকরা এলাকার মানুষকে মামলার ভয় দেখিয়ে সবসময় আতঙ্কের মধ্যেও রাখে। যৌক্তিক কারণেই এই অবৈধ কারখানার গুলোর পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন অনুমোদনও নাই। পাইরোলাইসিস রিসাইক্লিং অয়েল ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (প্রোমা) এর তথ্যমতে সারাদেশে এমন প্ল্যান্ট আছে মাত্র ৫০টি। তার মধ্যে সাভার, কেরানীগঞ্জ সহ ঢাকাতেই আছে ৩০ টি। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে তাদের ছাড়পত্র আছে মাত্র ২১টি কারখানার। তবে মোগড়াকান্দা ও ভাকুর্তা এলাকার স্থানীয় লোকজনের দাবী, পরিবেশ অধিদপ্তর এর অনুমোদন থাকুক বা নাই থাকুক, এইরকম মানুষ মারার বিষাক্ত কালো ধূয়ার কারখানা মালিকরা জনবসতিপূর্ণ মোগড়াকান্দা গ্রামের মাঝখানে কোনোভাবেই চলতে দেয়া যাবে না। সরেজমিন দেখা গেছে, মোগড়াকান্দায় অবস্থিত কারখানাটি সংলগ্ন অনেক বাড়িঘর, স্কুল, গ্যারেজ, দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। এমন একটি বর্ধিষ্ণু জায়গায় কীভাবে এসব কারখানা চালু থাকছে তা নিয়েও প্রশ্ন জনমনে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন না থাকলেও এলাকার স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায়ই এসব বিষাক্ত কালো ধূয়ার কারখানাগুলো চলে। তা না হলে বার বার বন্ধ করে দেওয়ার পরেও কিভাবে সাহস পায় তারা এই পরিবেশ দূষণকারী অবৈধ কারখানা গুলো চালু করতে? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এবছরের শুরুতেই পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রকৌশলী কাজী তামজীদ আহমেদ এর নেতৃত্বে পরিবেশ দূষণ বিরোধী এক অভিযানে রাজধানীর সন্নিকটে আমিন বাজারের পাশে পাওয়ার হাউজ সংলগ্ন ৬টি অবৈধ পাইরোলাইসিস কারখানা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে ভাকুর্তা ও মোগড়াকান্দাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই অবৈধ কারখানাগুলো বন্ধের দাবী জানিয়ে তারা বলেন, কারখানাগুলোর বিষাক্ত কালো ধূয়া একদিকে তাদের স্বাস্থ্যর চরম ক্ষতি করছে, অন্যদিকে তাদের কৃষি জমির সমস্ত ফসল, শাকসবজি ও গাছের সমস্ত ফল ফলাদি নষ্ট করছে। যা পরিবেশ এর জন্য মারাত্বক হুমকিস্বরুপ। এজন্য উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে অতিসত্বর মোগড়াকান্দা ও ভাকুর্তা এলাকার অবৈধ এসব কারখানাগুলোতে অভিযান চালিয়ে সেগুলো ভেঙে ফেলার ব্যবস্থার দ্বারা এই এলাকার মানুষকে মরণের হাত থেকে রক্ষা করোন। বায়ু দূষণের হাত থেকে রক্ষার আবেদন করেছেন। এব্যাপারে কারখানাগুলোতে মালিকেরা উপস্থিত না থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে সোলাইমান নামের একটি কারখানার মালিকের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করা গেলেও তাকে কয়েকবার জল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নাই। সাভার সদর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ এর নিকট বিষয়টি উপস্থাপন করলে তিনি জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনের সুযোগ নিয়ে কিছু কারখানার মালিক ও পরিচালকগণ এসব কারখানা চালু রেখেছেন। আমরা খতিয়ে দেখবো যে আইনের আওতায় যদি এসব কারখানা চালু রাখা না যায় তবে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ভাকুর্তাবাসী সুন্দর এবং নির্মল প্রকৃতির পরিবেশের মধ্যে বাঁচতে চায়। আশাকরা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সাভার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওইসব কারখানাগুলোতে দ্রুত অভিযান পরিচালনার দ্বারা তাদেরকে ওই নির্মল পরিবেশ উপহার দেয়া হবে।

সাভার থেকে এন এম শাহীনঃঢাকার সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের ভাকুর্তা, মোগড়াকান্দা ও মধুমতিতে টায়ার পুড়িয়ে ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি তৈরীরএকাধিক বিষাক্ত কারখানা বিস্তারিত

জুন ২০, ২০২০ by

আগামীকাল দ্যাখা যেতে পারে আংশিক সূর্যগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি-আগামীকাল ২১ জুন রোববার বছরের দীর্ঘতম দিন বা কর্কটক্রান্তি দিবস। এই দীর্ঘতম দিনে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে সারা দেশ থেকে বিস্তারিত

জুন ১৪, ২০২০ by

‘রিং অব ফায়ার’ দেখা যাবে আগামী রোববার

ডেস্ক রিপোর্টঃ আসছে ২১ জুন দেখা যাবে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস বা খণ্ডগ্রাস নয়, বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। আকাশেই তৈরি বিস্তারিত

জুন ৬, ২০২০ by

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন

পিরোজপুর প্রতিনিধিঃশুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকেই সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ পিরোজপুর, সরকারি মহিলা কলেজ, আফতাব উদ্দিন কলেজ, করিমুন্নেসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, টাউন বিস্তারিত

জুন ৫, ২০২০ by

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস

ডেস্ক রিপোর্টঃ আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস।প্রতিবছরের ন্যায় নানা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পালিত হবে এ দিবস।তবে করোনা মহামারীর এ বিস্তারিত