25 January- 2022 ।। ১১ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বানারীপাড়ায় লেপ-তোশকের এখন জমজমাট ব্যবসা

মোঃ রুবেল
বানারীপাড়া প্রতিনিধি:

বরিশালের বানারীপাড়ায় শীতকে সামনে রেখে বাড়ি বাড়ি ছুটছেন লেপ-তোশক তৈরির কারিগররা। শীতের আগমনী বার্তা আসার সঙ্গে সঙ্গে তুলা ছাঁটাই ও লেপ-তোশক তৈরির কর্মচঞ্চলতা বেড়েছে ধুনারীদের। পৌষ ও মাঘ মাসের শুরুতেই গ্রামাঞ্চলের কেউ কেউ পুরনো লেপ ভেঙে নতুন করে বানিয়ে নিচ্ছেন আবার কেউ নতুন তুলা দিয়ে তৈরি করে নিচ্ছে লেপ, তোশক ও বালিশ।সরেজমিনে দেখা যায়, বানারীপাড়া পৌর সদরে ছোট-বড় ১২/১৩টি লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে।

উত্তরপাড় বাজারে ২টি। তাছাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি বাজারে কমপক্ষে ১/২টি করে দোকান রয়েছে। এদের মধ্যে বানারীপাড়া সদরের মাছরং বাজারে ১টি, চাখার বাজারে ৪টি, গুয়াচিত্রা বাজারে ১টি, বাইশারী বাজারে ২টি, আউয়ার বাজারে ২টি, বিশারকান্দি চৌমোহনা বাজারে ৪টিসহ বানারীপাড়া উপজেলায় প্রায় ৩০টির মতো লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে। প্রতি দোকানে ৩/৪ জন করে কারিগর হলেও প্রায় শতাধিক কারিগর কাজ করছে এ সব দোকানে। তবে ছোট দোকানগুলোতে মালিকই কারিগরের দায়িত্ব পালন করেন। বছরের অন্যান্য সময় বেচাকেনা কম হলেও শীত মৌসুমে এসবের বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বানারীপাড়ার অতি পুরাতন ব্যাবসায়ী সুলতান ট্রেডাসের স্বতাধিকারী সুলতান জানান, বর্তমানে শীত মৌসুম শুরু হতেই লেপ তোশক বানানোর জন্য ক্রেতারা ব্যাপক তাড়া দিচ্ছেন।

বছরের অন্য সময়ের চেয়ে এখন লেপ তোশকের অর্ডার একটু বেশি তাই সময়মত ডেলিভারী দিতে ও একটু কষ্ট সাধ্য।তবে আমার দোকানে বছরব্যাপীই লেপ তোশক বানানো হয় এছাড়া চাদর ,কম্বল, সোফার কভারও বিক্রি করা হয়।বানারীপাড়া বন্দরবাজারের সদর রোডের সহিদ বেডিং স্টোরের স্বত্বাধিকারী সহিদুল ইসলাম বলেন, শীতের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অর্ডার নিলেও যথাসময়ে ডেলিভারি দিতে হাঁপিয়ে উঠছেন কারিগররা। এবার তুলার দাম একটু বেশি।

কালার তুলা পাইকারি প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, মিশালী তুলা ২০ টাকা, সিম্পল তুলা ৭০ টাকা, শিমুল তুলা ২৭০ টাকা, সাদা তুলা ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো জানান, প্রতিদিন একজন কারিগর ৪ থেকে ৫টি লেপ ও ৬ থেকে ৮টি তোশক তৈরি করতে পারেন। মাঝারি ধরনের একটি লেপ বানাতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। আর তোশক বানাতে খরচ হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। তবে তুলার প্রকারভেদে লেপ-তোশকের দাম কমবেশি হয়।

এবার শীত আসার আগেই লেপ-তোশকের অর্ডার পড়তে শুরু করেছে যা বিগত বছরের তুলনায় ব্যতিক্রম। আগামী দুই মাসব্যাপী এ ব্যস্ততা থাকবে। শীত মৌসুম ছাড়া অন্য সমযে লেপ-তোশক তেমন চলে না। তখন বিভিন্ন রকম বালিশ ও কাভারের কাজ চলে। তখন কারিগরদের বেতন ও ঘরভাড়া দিতে হিমসিম খেতে হয়।

Sharing is caring!





More News Of This Category


বিজ্ঞাপন


প্রতিষ্ঠাতা :মোঃ মোস্তফা কামাল

প্রধান সম্পাদক : মোঃ ওমর ফারুক জালাল

সম্পাদক: মোঃ আমিনুল ইসলাম(আমিন মোস্তফা)

নির্বাহী সম্পাদক: এ আর হানিফ
কার্যালয় :-
৫৩ মর্ডান ম্যানশন (১২ তলা)
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০

ইমেইল:ajsaradin24@gmail.com

টেলিফোন : +8802-57160934

মোবাইল:+8801725-484563,+8801942-741920
টপ